Tuesday, February 22, 2011

আমার মানচিত্র !


দূর হতে আমার চোখের অশ্রু ফোঁটা
আড়াল হইনি তোমার দৃষ্টি হতে,
বলেছিলে কিসে তোমার এত দুঃখ ?
উত্তরে বলেছিলাম – জানি না,
তবে দুখের ছাদর জরিয়াছি নিজ অবচেতন মনে !

সেই থেকে পাথচলা, দুজনের অজান্তেই ঘুরেছি পথে পথ,
তুমি দূর হতে দু’হাত বাড়িয়ে মুছে ছিলে আমার চোখের জল,
আর আমি তোমার দু’হাত ধরে পাড়ি দিয়াছি কত অজানা শহর,
আমার শুন্য শহরে তুমিই এনেছিলে কোলাহল ।

একদিন বলেছিলাম তোমায় , আচ্ছা
দূর থেকে দুরকে দেখা নাকি কাছ থেকে দূর?
তুমি বলেছিলে, দূর থেকে দূর দেখা !!
আমি আবার  জিজ্ঞাছিনু তোমায়,
দূর থেকে দুরের কোন শব্ধ, নাকি কাছ থেকে দূর শব্ধ,
তুমি বলেছিলে, দূর থেকে দুরের  শব্ধ ।

অনুভুতির এই খেলায় আমরা কেউ পরাজিত হইনি,
শুধু এতটুকু বুঝেনিয়াছি, দুরের এই পথধরে
আমার হারিয়া যাওয়ার নেই মানা।

জানি, আমার এই শহরে তোমার পদচিহ পরবেনা কভু,
তবু তোমাতে অংকিত আমার শহরের মানচিত্র !!
আর আমি্‌.....
শহরের পথধরে খুজি শুধু তোমার রুপ !



Tuesday, February 8, 2011

স্বপ্ন


যদি  অনেক  দুরের  এই  আমি ,
রাত্রি খুঁজে তোমার জন্য ঘুম আনি,
গল্প খুঁজে তোমার জন্য স্বপ্ন  আনি ,
তুমি সে  স্বপ্ন   দেখবে  কি  ??

যদি অচেনা শহরের এই আমি
ফুল খুঁজে তোমার জন্য রং আনি ,
নদী খুঁজে তোমার জন্য আবেগ আনি ,
তবে তুমি আপ্লুত হবে কি ?

যদি পথ হারানো এই আমি ,
চাদ হতে তোমার জন্য আলো আনি ,
আকাশ হতে তোমার জন্য ভাবনা আনি ,
তবে তুমি ভাববে কি ?

যদি বর্ণ হারা বর্ণহীন আমি ,
রংধনু হতে তোমার জন্য রং আনি ,
প্রজাপতির ডানার আল্পনা আনি ,
তবে তুমি তা গাযে মাখবে  কি ?

দূর আকাশে উড়ে ঘুরি ,
দূর শহরে জলে দীপ ,
অতিথি পাখিরা ডাকছে সরব ,
তাহা দেখে তুমি হাসবে কি ??

যদি আনমনে ঘুমিয়া পর ,
দখিনা বাতাস বহে জিরজির ,
যদি ফোটা ফুলগুলো ছড়ায় সুবাস ,
যদি পাখিগুলো করে কলরব ,
যদি সান্ধ আকাশে পূর্নিমা আসে ,
যদি প্রকৃতি দেখে বলে হও একাকার,
যদি রাত্রি করে তোমায় আহবান ,
তবে তুমি স্বপ্ন  দেখবে কি ??

Wednesday, February 2, 2011

এতটুকু সুখ!!


মুক্ত পথের পানে তাকিয়া থাকা এক নারী
নিবৃত জল জরা নিস্পলক আখী,
এই ভাবে চলছে চল্লিশটি বছর !!

কখনো লুকিয়া কান্না, কখনো মাজ রাতের নিসঙ্গতা,
কখনো আচলে ডাকা ফোলা চোখ,
আড়াল করেছে কত জনেজন !!

একটি রাত-ফিরে আসে বারবার,
যা জীবন কে বদলে  দিল চির আধার.
একটি শব্ধ- চল, আমাদের সঙ্গে কাম্পে চল,
আমায় করলো চির নিসঙ্গ !!

সেই ১৯৭১ !! সি তিমির রাত্রি !
আমার সঙ্গী কে নিয়া হায়নার দল আধারে মিলালো,
আমার আর আলো দেখা হইনি !
সেই থেকে প্রতিদিনই যুদ্ধ
করছি  আমি প্রতিনিয়ত,
কখনো নিজের সাথে নিজে,
কখনো সমাজ কিংবা সংসারের প্রতিকূলতায়.

কত সপ্ন ছিল দুটো নতুন জীবনের সূচনায়,
কত আসা বেধেচিলুম মনে,
দূর থেকে দূর পথ চলব হাতে হাত ধরে,
আমার যে আর তোমায় নিয়া পথ চলা হলো না !

তবু এতটুকু সুখ-
আমার একটি সূর্য ডুবেছে,
তবু কত সূর্য উটেছে ঘরে ঘর,
আমার সপ্ন বেন্গেছে,
তবু কত সপ্নে জাগছে  হাজার মন,
তোমাক হারিয়া আধারে আমি,
তুবু   সাধীনতার সূর্যে আলোকিত বাংলার ঘর.
এতটুকু সুখ আমার,  এতটুকু সুখ আমার!!!


Thursday, November 25, 2010

চাঁদ!!

আজ ঘুমাবো না!
রাত্রি যতই হউক না গভীর,
নিরবতা যতই ঢাকুক এ শহরকে,
আমি চাঁদের অস্ত যাওয়া দেখব।

আজ স্বপ্ন ভঙ্গবো না!
যতই না আসুক ঝড়,
চলুক না অনবরত কোলাহল,
আমি চাঁদের হাসিতে মন রাঙ্গাবো।

আজ দৃষ্টি হারাবো না!
আসুক না অক্ষিতে রঙ্গের ছোয়া,
জমুক না ধুলো-বালি মনি কোঠরে,
আমি চাদের পানে চেয়ে নিজকে হারবো।

কার মাঝে আমি?

ফেলে আসা দূর দৃষ্টি কিংবা
ক্ষনিকের হারানো মন,
মাঝ রাতের খন্ডিত স্বপ্ন কিংবা
থমকে যাওয়া কোন ভাবনা,
আমায় ভূলায় আপন জগৎ।


তিমির আধারে নির্ঘুম রাত্রি,
নীড়হারা পাখির ক্রন্দন,
অশ্রুতে মিশে থাকা বর্নহীন রং আর
আমায় নিয়ে তার কবিতা,
আমার গ্রহে নামায় বিষাদ।


কি যেন ফেলে এসেছি কিংবা
কি যেন পাইনি,
কি যেন হারিয়েছি কিংবা
কি যেন খূজছি,
যাহা হারালাম তাহা তো চাইনি আমি,
যাহা চাইলাম তাহা খুজে ফিরে আর কতকাল?


রাত,ঘুম আর প্রভাত,
মাঝখানে স্বপ্ন।
এরপর একটা দেীড়
আমাকে নিয়ে চলে আপন ঘরের দড়জায়।


পথ মাঝে আমি ভাবি,
স্বপ্ন কি ছিল?
অশ্রু ঝড়া ব্যথা না ফুল ঝড়া হাসি?
পা্ওয়ার পূর্নতা নাকি হারানোর শূন্যতা?


এভাবেই দিন মান,ক্ষন যায়
শিশু হারায় কৈশরে,কিশোর হারায় যেীবনে।
যেীবনকে আর যায় না পাওয়া বার্ধকের জলছাপে।


তাই খুঝে ফিরি নিজকে!
কোথায় হারালাম?কার মাঝে?
আপনাকে হারিয়ে পাইলাম কারে,
আপন গ্রহের এই ভাঙ্গা ঘরে?

রক্তিম আধার

ভাবনা থেকে দূরে কোথাও
আলোকিত দূপুর পেরিয়ে কিংবা অন্ধকার রাত্রি ভেঙ্গে,
সময়কে বদলে দিয়ে তুমি এসো
নিবৃত এই আধারে।

অতীতকে মুছে দিয়ে চল স্বপ্ন বুনি,
রাত্রিকে ঢেকে দিয়ে চল সূর্যি আনি।
দূর আকাশের কালো মেঘ সরিয়ে
চল চাদ কে হাসাই।

নিবৃত কান্নার ঐ বাশি থামিয়ে দাও,
এলোমেলো সব কাজ গুছিয়ে নাও,
বিক্ষিপ্ত গতিপথ বদলে দিয়ে কক্ষে আসো,
চল খুজে নেই আপন ঠিকানা।

চল অসীমের মাঝে নিজকে বিলাই,
চল সত্যের মাঝে নিজকে ভাবি,
চল নিরব রাত্রিকে শান্তিতে ঢাকি,
চল আধারের মাঝে আলোর প্রদ্বীপ জালি।

চল অশ্রু থামিয়ে একটু হাসি,
চল সীমা হারিয়ে অসীমে ছুটি।
চল আমাকে আমি ভালবাসি
শুধু তোমার জন্য।


ভালবাসা যতই গোপন ততই মধু,
যতই গভীর ততই সুধা,
যতই অনুভব ততই ব্যকুলতা,
চল আপনাতে হারাই আপন যত আকুলতা।

চল স্বপ্নে হারাই, স্বপ্নে বাধি ঘর,
চল হাতে হাত রাখি বেধে দূর করি যত ঢড়।
চল সূখের স্রোতে ভেসে যাই,
আপনাতে গড়ে আবার আপনাতে হারাই।

কালো ফুলের মাঝে মাতাল সুবাশ,
আধারের মাঝে আলো আবাশ,
রক্তিম আলোতে নয়
চল রক্তিম আধারে আপন খুজি নিবাস।

তুমি হও পথ !

আমি পেয়েছি তোমায় হারানো পথের বাকে
কিংবা অসম্পূর্ন কবিতায়।
কখনো ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নের মাঝে,
কখনো নিস্ফলক দৃষ্টির সীমানায়।

তোমায় দেখেছি মেঘে ঢাকা চাদের মাঝে,
কখনো বিষন্ন বিকেলের আঙ্গিনায়।
কখনো রক্তিম আভা ছড়ানো সূর্যে,
কখনো মিশে গেছ মেঘের কান্নায়।

তোমায় দেখেছি নীড়হারা পাখিদের ভীড়ে,
কখনো মিশেছ সূরহারা গানে কিংবা
ছন্দহারা কবিতায়।
কখনো হারিয়েছ উদ্দেশ্যহীন গল্পের মাঝে।

কিন্তূ!!
আমি তোমার মাঝে যে আলো দেখেছ
সে আলোয় হাজার শহর আলোকিতত।
যে স্বপ্ন দেখেছি
সে স্বপ্নে হাজার প্রান সজীবীত।
যে আশা দেখেছি
সে আশায় হাজার জীবন পেল খুজে পথ।

তুমি যদি পথ হও
আমি খুজি পথ,
তোমাতেই হেটে চলি আমি নিরন্তর।

আমি যদি পথ হই
তুমি খুজো পথ,
আমাতেই হেটে চল তুমি নিরন্তর।